Thursday, June 25, 2026

অম্বুবাচী মেলায় পান্ডুতে অন্ন ভান্ডারারে তীর্থযাত্রীর সেবায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।


 

গুয়াহাটি, ২৫ জুন: প্রতি বছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারের অম্বুবাচী মেলাতেও তীর্থযাত্রীদের সেবায় এগিয়ে এসেছে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংগঠন। কামাখ্যা ধামে আগত হাজার হাজার ভক্তের সুবিধার্থে পান্ডু ও আশপাশের এলাকায় একাধিক অন্ন ভান্ডারা ও পানীয় জল বিতরণ কেন্দ্রের আয়োজন করা হয়েছে।

মেলাকে কেন্দ্র করে পান্ডু বড় বাজার কমিটি, সমাজকর্মী স্বর্গীয় কমল দে ও জিএমসি ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কর্মীবৃন্দের সহযোগিতায় পরিচালিত ‘মা কামাখ্যা তীর্থযাত্রী অন্ন সেবা’, ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা জালুকবাড়ি মণ্ডল, লাল গণেশ মা কামাখ্যা অন্ন সেবা, জয় মা কামাখ্যা অম্বুবাচী অন্ন সেবা, দিশপুর সেবা সমিতি এবং ভারতীয় জনতা পার্টি (ওবিসি) মোর্চা জালুকবাড়ি মণ্ডলসহ একাধিক সংগঠন অন্ন সেবার ব্যবস্থা করেছে।

সমাজকর্মী স্বর্গীয় কমল দে-র স্মৃতিতে তাঁর পরিবার ও জিএমসি ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কর্মীবৃন্দের সহযোগিতায় বিগত কয়েকদিন ধরে রেস্ট ক্যাম্প কালীবাড়িতে অবস্থানরত তীর্থযাত্রীদের নিয়মিত অন্ন সেবা প্রদান করা হয়। এই সেবামূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন স্বর্গীয় কমল দে-র স্ত্রী শিখা দে, তাঁদের পুত্র-কন্যা এবং অন্যান্য কর্মীবৃন্দ।

ভারতীয় জনতা পার্টি (ওবিসি) মোর্চা জালুকবাড়ি মণ্ডলের সভাপতি রাধাকান্ত সাহা এবং সহ-সভাপতি সুব্রত রঞ্জন দাস জানান, তাঁরা বিভিন্ন সময়ে সমাজসেবামূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখেন। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই প্রতি বছরের মতো এবারও অম্বুবাচী মেলায় আগত ভক্তদের জন্য অন্ন সেবার আয়োজন করা হয়েছে।

অন্যদিকে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা জালুকবাড়ি মণ্ডলের পক্ষ থেকেও প্রতিবারের ন্যায় এবছর অন্ন সেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সংগঠনের কর্মীরা জানান, প্রতিদিন কয়েক হাজার ভক্তকে খাদ্য পরিবেশন করা হচ্ছে এবং অম্বুবাচী মেলার শেষ দিন পর্যন্ত এই সেবা অব্যাহত থাকবে।

তীর্থযাত্রীদের জন্য বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থাও ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। গুয়াহাটি মিউনিসিপাল কর্পোরেশন (জিএমসি) প্রতিবছরের মতো এবারও ২৪ ঘণ্টা পানীয় জলের ব্যবস্থা করেছে। পাশাপাশি প্রতিটি অন্ন ভান্ডারায় খাবারের সঙ্গে বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিদিন কয়েক হাজার পানীয় জলের প্যাকেট ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে।

অম্বুবাচী মেলায় ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এই ধরনের মানবিক ও সেবামূলক উদ্যোগ তীর্থযাত্রীদের কাছে বিশেষ প্রশংসিত হয়েছে এবং মেলার সামগ্রিক পরিবেশকে আরও সুশৃঙ্খল ও সেবামুখী করে তুলেছে।

No comments:

Post a Comment