Header Ads

https://drive.google.com/file/d/1KYvwcVfpdZA0pOa_z8Gqbqub5aWa8YEk/view?usp=sharing.jpg

নির্মলেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের “খেয়ালী কলম” গ্রন্থের উন্মোচন


গুয়াহাটি, ১৮ মে : কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে স্মরণ করে রবিবার পাণ্ডু আনন্দনগরে পান্ডুর বিদ্যামন্দির উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান অধ্যক্ষ নির্মলেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের রচিত গ্রন্থ “খেয়ালী কলম”-এর আনুষ্ঠানিক উন্মোচন করা হয় তাঁর নিজ বাসভবনে। সাহিত্য ও সংস্কৃতিমনস্ক ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান এক আন্তরিক ও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আসাম সরকারের সাহিত্য পেনশন প্রাপক ও আন্তর্জাতিক সাহিত্যিক সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর প্রধান সম্পাদক ড০ মানিক লাল ভৌমিক, সাহিত্যিক ও নাট্যকার দীপক ভদ্র, বিদ্যামন্দির উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষা অলকা সেন এবং প্রাক্তন ফুটবল খেলোয়াড় বিনয় ভূষণ পাল। অনুষ্ঠানের সূচনাতেই অতিথিদের সংবর্ধনা জানানো হয়। পরে লেখকের কন্যা সুদেষ্ণা চক্রবর্তী অতিথিদের হাতে স্মারক উপহার তুলে দেন।

অতিথিবৃন্দের উপস্থিতিতে “খেয়ালী কলম” গ্রন্থটির আনুষ্ঠানিক উন্মোচন সম্পন্ন হয়। গ্রন্থটির প্রকাশনার দায়িত্বে ছিলেন চায়না চট্টোপাধ্যায়। প্রচ্ছদ নির্মাণ ও নামকরণের কাজ করেন লেখকের ছাত্র প্রদ্যুৎ চক্রবর্তী এবং মুদ্রণ নিরীক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন দীপক ভদ্র। লেখক গ্রন্থটি উৎসর্গ করেছেন তাঁর পিতা স্বর্গীয় পণ্ডিত কিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায় ও মাতা স্বর্গীয়া অমিয় প্রভা চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতির উদ্দেশ্যে। উল্লেখযোগ্যভাবে, গ্রন্থটির কোনো মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা সাহিত্যচর্চা ও রবীন্দ্রভাবনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। লেখক নির্মলেন্দু চট্টোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও সাহিত্য সম্পর্কিত কিছু অজানা তথ্য তুলে ধরে উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করেন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ডা. রত্না দেবনাথ।

সাংস্কৃতিক পর্বে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন শুক্লা বসাক, নন্দিনী বসু ও স্বপ্না পালিত। সমবেত সংগীত পরিচালনা করেন সঞ্চালী সেন। আবৃত্তি ও কবিতা পাঠ করেন শাশ্বতী ঘোষ দস্তিদার এবং মানিক সেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সুদেষ্ণা দেবরায় চন্দ। অনুষ্ঠানে অর্ধশতাধিক বিশিষ্ট ও জ্ঞানীগুণী ব্যক্তির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

No comments

Powered by Blogger.